ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর)প্রতিনিধি-ইতিহাস আর ঐতিয্যে গাথা ঘোড়াঘাট নগর,মুসলিম ঐতিহাসিক গ্রন্থাদি ও নতুন শহরটির বুকে বহু মহল্যার নাম জানতে পারাযায়।
রাজশাহ-শাহি এবং রাজু ফৌলুদশাহী নসরোতাবাদ বায়াজিদপুর তালুক হোসেনশাহী, তালুক আহম্মেদ খান, সৈয়দখা বাজার, খন্দকারটোলা, কাজীপারা, কাদিমনগরসহ অনেক গুলি গ্রাম নিয়ে ঘোড়াঘাট শহর গড়ে উঠে। ঘোড়াঘাট সরকারে ফৌজদারী সাশনকর্তা নিয়োগ হয়।
ঘোড়াঘাটের ফৌজদারগনের মধ্যে অনেকেই ছিলেন, নিষ্ঠাবান ধার্মিক মুসলমান। ইসলামের রহ্মক হিসাবে সমাজের উপর প্রধান গুরুত্ব ছিল।মুনলিম স্থপতি শিল্পের আদর্শ ও কুসলতার সাথে গড়ে উঠেছিল অশংখ্য হর্ম।
সে গুলি ঘোড়াঘাট শহরকে সর্জ্জিত করেছিল মনোরম আভরনে। ফলে ঘোড়াঘাট নগর সামান্য একটি থানা হেডকোয়াটারের মর্যাদা ছাড়া তার সকল প্রশাসনিক গৌরব ও গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে।পরবর্ত্তিতে কালের নিয়োমে সেই সুন্দর্য আবার ফিরে পায়।
ঘোড়াঘাট শুধু মুসলিম নগরী আর মসজিদ ছিলোনা, যুগউপযুগি ভাবে এই নগর ছিল বহু পীর-আউলিয়ার সমাধিভুমি পুন্যভুমিও। গৌরযুগে পীর-দরবেশ,আলেম-ফাজেল হজী-গাজী খাদেম খেতমতগারসহ বহু বুজর্গ মুসলমানের আগমন ঘটেছিল। সম্রাট শাহাজান ও স¤্রাট সুজাউদ্দিনের দুটি পরগোনা ছিল।
সম্রাট শাহজানের পরগোনা আক্রমনের জন্য সম্রাট সুজাউদ্দিনের ঘোড়ার পাল যে ঘাট দিয়ে পার করতো আবার সেই ঘাট দিয়ে ফিরে এসে ঘোড়ার পালকে গোসল করাত সেই ঘোড়ার ঘাট থেকে ঘোড়াঘাটে নাম করন হয়েছে।
এই ঘোড়াঘাটের পাশ দিয়ে একটি নদী বয়ে যায়। সেই নদীর নাম করতোয়া। কর-শব্দের অর্থ হলো হাত। আর তোয়া-শব্দের অর্থ হলো ধোয়া। কোন মনিশি এই নদীতে হাত ধুয়েছিল মর্মে এই নদীর নাম হয়েছে করতোয়া। ২য় খন্ডে আরো ইতিহাস নিয়ে আসছি।
No comments:
Post a Comment